শনিবার - ২১ ভাদ্র ১৪২৭ - ৫ সে্প্টেম্বর ২০২০ - Sep 22, 2020
   শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

শিশুদের শাস্তি দেওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশি সংস্কৃতি থেকেই এসেছে

শিশুদের শাস্তি দেওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশি সংস্কৃতি থেকেই এসেছে


শৈশব ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের শাস্তি দেওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশি সংস্কৃতি থেকেই এসেছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। তবে আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, দেশের ৬৭ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের শৃঙ্খলিত করতে স্কুলে শারীরিক শাস্তি দেওয়াকে সমর্থন করেন। যাদের ৭৯ শতাংশই স্বীকার করেছেন, তারা বাড়িতেও সন্তানদের শারীরিক শাস্তি দিয়ে থাকেন।


সম্প্রতি বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিকস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। করপোরাল পানিশমেন্ট অন চিলড্রেন ইন স্কুল: প্রেজেন্ট সিনারিও অ্যাণ্ড প্রিভেনটিভ রেসপনসিবিলিটি শীর্ষক ওই জরিপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর এবং গ্রামের ১২৬ জন ব্যক্তি অংশ নেন। সংগঠনগুলো জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিশু এবং তাদের অভিভাবকদের সাক্ষাৎকার নেন এবং তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র একশতাংশ অভিভাবক মনে করেন, কোনও কারণ ছাড়া সন্তানদের মারধর করা তাদের অধিকারের লঙ্ঘন। ৬৯ শতাংশ মনে করেন, ক্লাসরুমে শিশুদের শৃঙ্খলিত করতে শারীরিক শাস্তি খুবই কার্যকর, ৫৫ শতাংশ মনে করেন, শারীরিক শাস্তি শিশুদের যথাযথ উন্নয়নের একটি কার্যকর উপায় এবং ২৭ শতাংশ মনে করেন, শিশুদের শারীরিক শাস্তি না দিলে তারা বিপথে চলে যেতে পারে।

অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য

বাংলাদেশ হচ্ছে ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অন দ্য রাইটস অব দ্য চাইল্ড (সিআরসি)-এ স্বাক্ষরকারী দেশ।  জাতিসংঘের কমিটি অন চাইল্ড রাইটস প্রতিবেদন-২০১৪ অনুযায়ী, শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার গুরুত্বসহকারে নিয়েছে এবং এটা বন্ধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে স্কুলগুলোতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়াসহ বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এছাড়া, শাস্তিদানকারীকে আইনের আওতায় আনা এবং বিকল্প পদ্ধতিতে শিশুদের শৃঙ্খলিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

জাতীয় শিশু নীতিমালা-২০১১ অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ওপর সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে শিশুরা কোনোভাবেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার না হয়।

শিশু আইন-২০১৩তেও শিশুদের শারীরিক শাস্তির বিরুদ্ধে আইনি নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আইনের ৭০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, যদি কেউ নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে শিশুদের ওপর নির্যাতন, দুর্ব্যবহার, অবহেলা অথবা বরখাস্ত করে এবং এসবের কারণে যদি শিশুটির স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি হয়, তাহলে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।

দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে উদ্দেশ করে ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার দুটি আদেশ জারি করে। আদেশে প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষক শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেন, তাদের চিহ্নিত করতে এবং এটা বন্ধ করতে প্রতিষ্ঠানের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে ব্লাস্ট এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের রিট পিটিশনের শুনানি শেষে ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে হাইকোর্ট জানান, শারীরিক শাস্তি দেওয়া শিশু অধিকারের লঙ্ঘন।

এ সময় হাইকোর্ট দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব ক্ষেত্রে শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

বাস্তবতা

জরিপে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষক বিশ্বাস করেন, শ্রেণিকক্ষে শিশুদের নিয়ন্ত্রণ করতে শারীরিক শাস্তি দেওয়া সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ।  তাদের মধ্যে ১৩ শতাংশ শিক্ষক মনে করেনক্লাসে শাস্তি দেওয়ার মতো বিকল্প কোনও কার্যকরী ব্যবস্থা আর নেই। অপরদিকে, শারীরিক শাস্তির বিষয়ে আইনের বিষয়ে ৬৪ শতাংশ অভিভাবক গভীর জ্ঞান রাখেন না।

জরিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭৯  শতাংশ অভিভাবক বাসায় তাদের সন্তানদের শাস্তি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, ৯০ শতাংশ অভিভাবক জানিয়েছন, সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে শাস্তি দেওয়ার রীতি এখনও বিদ্যমান আছে।

জরিপে অংশ নেওয়া শহরের অর্ধেক অভিভাবক জানিয়েছেন, তাদের সন্তান স্কুলে নিয়মনীতি না মানলে শিক্ষকরা বিষয়টি তাদের অবহিত করেন। এছাড়া, ৫৮ শতাংশ গ্রামের অভিভাবক জানিয়েছেন, স্কুলে তাদের সন্তানরা অবাধ্য হলে শিক্ষকরা তাদের বেত্রাঘাত করে শাস্তি দেন।

শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়া আইনে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি জানেন কিনা- প্রশ্নের জবাবে ৫৫ শতাংশ শিক্ষক জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি জানেন না বা এ বিষয়ে কোনও নির্দেশনাও তারা পাননি।

সংস্কৃতির মূলেই আছে শারীরিক শাস্তি

স্কুলে শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়াটা বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূলেই আছে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জানিয়েছেন, অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব ও অবহেলার কারণে শিশুরা স্কুলে শারীরিক শাস্তির সম্মুখীন হয়।

এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, অভিভাবকরা বিশ্বাস করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের সন্তানদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে দেবে। আর এটার জন্য শারীরিক শাস্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধারণাটা আমাদের সংস্কৃতি থেকেই এসেছে।

তিনি আরও বলেন, চার বছর আগের একটি জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮৬ শতাংশ অভিভাবক স্কুলে শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার নিয়মকে সমর্থন করেন। কিন্তু বর্তমানে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রচারণার মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার চিত্র কমে এসেছে।

এই রাশেদা কে চৌধুরী মনে করেন, এখনও দেশের অনেক জায়গায় শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার হার অনেক বেশি। ওইসব জায়গায় শারীরিক শাস্তির নেতিবাচক দিক তুলে ধরে অভিভাবকদের সচেতন করতে প্রচারণা চালাতে হবে।

তথ্য প্রমাণ অনুযায়ী, শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়া খুবই ক্ষতিকর এবং এটা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। দেখা গেছে, স্কুলে যেসব শিশুদের শাস্তি দেওয়া হয়, তারা পরীক্ষায় বা শিক্ষা জীবনে অনেক খারাপ ফল করে এবং তাদের কাছে স্কুল একটি ভয়ানক জায়গা।

ব্লাস্ট-আইআইডির এক জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ অভিভাবক জানিয়েছেন, শাস্তির ভয়ে তাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে চান না এবং এসব অভিভাবকদের ৪৭ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের সন্তানরা স্কুলের শিক্ষকদের ভয় পায়।

এক চতুর্থাংশ অভিভাবক জানিয়েছেন, স্কুলে শারীরিক শাস্তির কারণে তাদের সন্তানরা হতাশ এবং বিষণ্ন হয়ে ওঠেছে।

যেসব অভিভাবক শারীরিক শাস্তিকে সমর্থন করেন তাদের বিশ্বাস, এ ধরনের শাস্তি তাদের সন্তানদের শিক্ষকদের নির্দেশনা মানতে বাধ্য করে, শৃঙ্খলিত হতে, আচরণ ও শিষ্টাচার শেখাতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শিশুদের শারীরিক শাস্তি দেওয়াটাকে অনেক অভিভাবক ও শিক্ষক ফলপ্রসূ বলে মনে করেন। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে এটা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।

সেভ দ্য চিলড্রেন, বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশতিয়াক মান্নান বলেন, শারীরিক শাস্তি শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাবই ফেলে।

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, যেসব শিশুকে শারীরিক শাস্তি দেওয়া হয় তারা প্রায়ই অন্যদের চেয়ে আরও হিংসাত্মক এবং অপরাধমূলক মনোভাব দেখাতে থাকে। যখন তারা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়, তখন তারাও এ ধরনের শাস্তিকে সমর্থন করে।

তিনি আরও বলেন, মাঝে মাঝে অভিভাবক এবং শিক্ষকদেরও শারীরিক শাস্তির খারাপ প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন হতে দেখা যায়। তাই শিশুদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে শাস্তির পরিবর্তে কাউন্সিলিংয়ের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। শারীরিক শাস্তিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কোনও যুক্তিই নেই।

এ সময় বাসা এবং স্কুলে শিশুদের শৃঙ্খলিত করতে বিকল্প উপায় বের করার ওপর জোর দেন ইশতিয়াক মান্নান।

সংগ্রহ: ইন্টারনেট

বাংলাদেশ, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার, ১২:৩৫ পিএম


নৈতিক অবক্ষয় রোধ : কৈশোর থেকে তারুণ্য
   নৈতিক অবক্ষয় রোধ : কৈশোর থেকে তারুণ্য

শৈশব ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

ইলা মুৎসুদ্দি :

আমরা যখন দেখি একটা ২০-২২ বছরের যুবক সিগারেট, মদ কিংবা অন্যান্য নানা নেশায় মত্ত হয়ে আছে, তখন আমরা বলি তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাকে রুখতে হবে। আমরা গোড়াতেই গলদ করি। কারণ আমরা শৈশব থেকে কৈশোর বয়সের সময়টাকে উপেক্ষা করে যাই।

বিস্তারিত


শিশুদের প্রয়োজন প্রকৃতির মুক্ত আকাশ
   শিশুদের প্রয়োজন প্রকৃতির মুক্ত আকাশ

শৈশব ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

ইলা মুৎসুদ্দি :

আমরা যারা শহুরে বাসিন্দা তারা খুবই গর্ববোধ করি আমাদের সন্তানদের নিয়ে। কারণ আমার সন্তান সব জানে। কী কী জানে? কম্পিউটার চালাতে জানে, ল্যাপটপে বসে গেম খেলতে জানে, মোবাইল নিয়ে কল করতে জানে, ভিডিও গেম খেলতে জানে এক কথায় আধুনিক সব যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করতে পারে আমার সন্তান।
বিস্তারিত


ঘরে বসেই ইংরেজি ও আইইএলটিএস কোর্স
   ঘরে বসেই ইংরেজি ও আইইএলটিএস কোর্স

এমরানুর রহমান তুষার

করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর কারণে আজ থেমে গেছে পুরো বিশ্ব। বিশ্বের অনেক দেশেই যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনীতির পাশাপাশি বন্ধ আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও।

বিস্তারিত


ইংরেজি ও আইইএলটিএসে দক্ষ হোন নিজে নিজেই
   ইংরেজি ও আইইএলটিএসে দক্ষ হোন নিজে নিজেই

এমরানুর রহমান তুষার

ক্যারিয়ার গড়ার জন্য জীবনে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি যে কয়েকটি দক্ষতা বা যোগ্যতার প্রয়োজন সেগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ইংরেজি ভাষা জানা।

বিস্তারিত


কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ধাক্কা : শঙ্কায় বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা দেশগুলো!
   কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ধাক্কা : শঙ্কায় বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা দেশগুলো!

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | কাছেদূরে ডটকম

করোনাভাইরাস মহামারী শেষ হতে অনেক দেরি। কিছু দেশ এখনও মহামারী নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। আর ভাইরাসটির বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করতে পারা দেশগুলো এখন শঙ্কায় আছে সেকেন্ড ওয়েভ বা করোনাভাইরাস মহামারীর পরের পর্যায়ের ধাক্কা নিয়ে।

বিস্তারিত


মন্ত্রিসভার বৈঠকে অসুস্থ হয়ে আইভরি কোস্টের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু
   মন্ত্রিসভার বৈঠকে অসুস্থ হয়ে আইভরি কোস্টের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু

নিউজ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠক চলাকালীন অসুস্থ হওয়ার পর মারা গেছেন আইভরি কোস্টের প্রধানমন্ত্রী আমাদু গোন কুলিবালি।

বিস্তারিত


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ৬ আগস্ট পর্যন্ত
   শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ৬ আগস্ট পর্যন্ত

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | কাছেদূরে ডটকম

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বিস্তারিত


মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়েই চলছে অর্ধেকের বেশি বেসরকারি হাসপাতাল
   মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়েই চলছে অর্ধেকের বেশি বেসরকারি হাসপাতাল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | কাছেদূরে ডটকম

প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ৫০ ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ । এছাড়াও কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ হাসপাতালের কোনো লাইসেন্সই নাই৷ গত দুই বছরে লাইসেন্স বাতিল হয়েছে মাত্র একটি হাসপাতালের৷ খবর ডয়চে ভেলের।

বিস্তারিত


রূপ পাল্টেছে করোনাভাইরাস: আরও সংক্রামক হতে পারে
   রূপ পাল্টেছে করোনাভাইরাস: আরও সংক্রামক হতে পারে

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

ফ্লোরিডার একদল গবেষক মনে করছেন, তারা দেখাতে পেরেছেন যে নতুন করোনাভাইরাস এমনভাবে পরিবর্তিত হয়েছে যাতে এটি আরও সহজে মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

বিস্তারিত


কাছেদূরে লাইভ: এ মুহূর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণের বিকল্প নেই
   কাছেদূরে লাইভ: এ মুহূর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা গ্রহণের বিকল্প নেই

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | কাছেদূরে ডটকম

বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ এর সংক্রমণে স্থবির হয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্ব। স্থবিরতার এ সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে।

বিস্তারিত




ভিডিও (কাছেদূরে টিভি)

ফটো গ্যালারি

  বিজ্ঞাপন প্যানেল







  অনলাইন মতামত

  বিজ্ঞাপন প্যানেল